#Quote
More Quotes by Jibanananda Das
অধ্যাপক, দাঁত নেই—চোখে তার অক্ষম পিঁচুটি; বেতন হাজার টাকা মাসে—আর হাজার দেড়েক পাওয়া যায় মৃত সব কবিদের মাংস কৃমি খুঁটি; যদিও সে সব কবি ক্ষুধা প্রেম আগুনের সেঁক চেয়েছিলো—হাঙরের ঢেউয়ে খেয়েছিলো লুটোপুটি। - জীবনানন্দ দাশ
পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন; মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে।
জানো কি অনেক যুগ চলে গেছে? মরে গেছে অনেক নৃপতি? অনেক সোনার ধান ঝরে গেছে জানো না কি। - জীবনানন্দ দাশ
যে জীবন ফড়িংয়ের, দোয়েলের, মানুষের সাথে তার হয় নাকো দেখা
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি,তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর।
অনেক কমলা রঙের রোদ ছিল, অনেক কমলা রঙের রোদ, আর তুমি ছিলে, তোমার মুখের রূপ কত শত শতাব্দী আমি দেখি না, খুঁজি না।
শেষবার তার সাথে যখন হয়েছে দেখা মাঠের উপরে। বলিলাম, একদিন এমন সময় আবার আসিয়ো তুমি, আসিবার ইচ্ছা যদি হয়, পঁচিশ বছর পরে।
আমরা হেঁটেছি যারা নির্জন খড়ের মাঠে পউষ সন্ধ্যায়, দেখেছি মাঠের পারে নরম নদীর নারী ছড়াতেছে ফুল কুয়াশার কবেকার পাড়াগার মেয়েদের মতো যেন হায় তারা সব আমরা দেখেছি যারা অন্ধকারে আকন্দ ধুন্দুল জোনাকিতে ভরে, গেছে; যে মাঠে ফসল নাই তাহার শিয়রে চুপে দাঁড়ায়েছে চাঁদ — কোনো সাধ নাই তার ফসলের তরে । - জীবনানন্দ দাশ
আজো আমি মেয়েটিকে খুঁজি, জলের অপার সিঁড়ি বেয়ে, কোথায় যে চলে গেছে মেয়ে।
আমরা দেখেছি যারা নিবিড় বটের নিচে লাল লাল ফল পড়ে আছে; নির্জন মাঠের ভিড় মুখ দেখে নদীর ভিতরে;যত নীল আকাশেরা রয়ে গেছে খুঁজে ফেরে আরো নীল আকাশের তল;পথে পথে দেখিয়াছি মৃদু চোখ ছায়া ফেলে পৃথিবীর পরে আমরা দেখেছি যারা শুপুরির সারি বেয়ে সন্ধ্যা আসে রোজ, প্রতিদিন ভোর আসে ধানের গুচ্ছের মতো সবুজ সহজ । - জীবনানন্দ দাশ